খালেদা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে সড়কপথে গিয়েছেন: কাদের

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য সড়কপথে কক্সবাজার গিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বিমানে কক্সবাজার যেতে পারতেন। তিনি ত্রাণ দিতে যাননি। তিনি সড়কপথে গিয়েছেন বিশৃঙ্খলা পাকানোর জন্য।

ফেনীতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ফেনীতে নাকি আওয়ামী লীগ হামলা করেছে। আওয়ামী লীগ যদি হামলা করে, তাহলে সাংবাদিককে কেন হামলা করবে? বিএনপির কোনো নেতা কেন আহত হলেন না। খালেদা জিয়া কেন আহত হলেন না। তিনি ও তাঁর গাড়ি অক্ষত আছেন। আহত হলেন সাংবাদিক। সাংবাদিকের ওপর হামলা হলে নিউজটা বড় হবে, চাঞ্চল্যকর হবে, দেশে-বিদেশে সাড়া জাগাবে। এ জন্য বিএনপি পরিকল্পিতভাবে এ হামলা করেছে।

আজ শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর প্রয়াত সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরীর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে উপজেলার হাইলধরে এ স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘যেকোনো পরিস্থিতিতে বিএনপি নির্বাচনে আসবে। এটা আমরা জানি। কারণ এই নির্বাচনে না এলে তাদের অস্তিত্ব থাকবে না। তাদের পরিণতি মুসলিম লীগের মতো সংকুচিত হবে। সেটা তারা জানে। আন্দোলন করে নির্বাচনে আসতে তারা পারবে না। কারণ বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার উন্নয়নে খুশি।’

বিএনপিকে একটি এলোমেলো পার্টি উল্লেখ করে এই মন্ত্রী বলেন, এটি বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। তাদের একেক নেতা একেক কথা বলেন। বিএনপির বুদ্ধিজীবীরাই বলেন দলটি মাজাভাঙা, হাটুভাঙা, কোমর ভাঙা একটি দল।

বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ বিএনপি নির্বাচনে আসবে বলে সম্প্রতি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা মওদুদের নাকি বিএনপির, তা দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পরিষ্কার করার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, কেন্দ্রীয় উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, উপদপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান।

স্মরণসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দনাইশ আসনের সাংসদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, পটিয়ার সাংসদ শামসুল হক চৌধুরী, সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার সাংসদ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাফুজুল হায়দার চৌধুরী ও আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী।

স্মরণসভায় বক্তারা আওয়ামী লীগের কঠিন দুঃসময়ে আখতারুজ্জামান চৌধুরীর অবদানের কথা স্মরণ করেন। বলেন, তাঁর মতো নেতার মৃত্যু হয় না। দল তাঁর অবদান কখনোই ভুলবে না।

0
0

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *